সোমবার, জুন ১৯, ২০০৬

আসুন, আমরা একটি প্ল্যানচেটের আয়োজন করি...


প্রতিটা পোষ্টে সেই একই নাটকের পুনরাবৃত্তি হয়। কুশীলবও আমরাই। একদল আস্ফালন করেন, প্রমান করা হোক!!
আমরা নতজানু হয়ে নিজেদের প্রমান হাজির করি। একগাদা ওয়েবসাইট, কিছু ইতিহাসের দলিল, অনেকগুলো বই, কিছু পেপার কাটিং..।
কিন্তু আমরা কি জানি, সেইসব প্রমান যে আসলে ভ্রান্ত? আসলে কিছু উর্বর মস্তিষ্কের মানুষের লেখা থ্রিলার?
না জানি না। ভ্রান্ত তো হবেই, ওগুলো তো গোলাম আযম তার স্মৃতিতে লিখে রাখেন নাই। মুক্তিযুদ্ধে নিহতের পরিবার মিথ্যে বলেছেন, এটাই তো সত্য, কারন গোলাম আযম তো মিথ্যে বলেন নাই!

এই নাটক এখানেই শেষ হবে।
কদিন পর আরেকটি পোষ্ট হবে।
সেখানে আবারো বলা হবে প্রমাণ করা হোক! আমরা বাবার রক্তভেজা শার্ট আর মায়ের ছেঁড়া শাড়ি বুকের মধ্যে লুকিয়ে আবারো আমাদের প্রমান নিয়ে হাজির হবো।

এইভাবেই, মুক্তিযুদ্ধের পৌন:পুনিক অপমান চলতেই থাকবে, চলতেই থাকবে...। যতদিন না গোলাম আযম তার পবিত্র স্মৃতিকথা নতুন করে লিখবেন!

আসুন, তার চেয়ে আমরা বরং একটি প্ল্যানচেটের আয়োজন করি। ওখানে ডেকে আনি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, লক্ষ লক্ষ অসহায় মানুষ আর হতভাগা বুদ্ধিজীবিদের। ওদের আত্মা এসে আমাদের হাত ধরে বলুক, বাবারা, এইবারটি থামো, আর কত অপমান করবে আমাদের?

থ্রিলার উপন্যাসের নিহত নায়ক আর তাদের সঙ্গীসাথীরা অন্তত এইটুকু করুণাও কি আশা করতে পারেন না আমাদের কাছে?


------------
মুল লেখা- এইখানে

শুক্রবার, জুন ১৬, ২০০৬

ভাললাগায় লোপামুদ্রা ...


লোপামুদ্রার গলায় আমার শোনা প্রথম গান বেনীমাধব।

এইচএসসি-র পরে তখনো ঢাকায় নতুন। ঢাকা যে আসলে ঠিক বাংলাদেশের ভেতরের কোন শহর নয়, সেটা বুঝে গেছি ততদিনে। সব কিছুতেই যেন যোজন যোজন ফারাক আমাদের ছোট্ট মফস্বল শহর কুমিল্লার সাথে। সেই বোধটা আরেকটু দৃঢ় করতে সে বছর গুলশানে আমাদের এক বন্ধুর বাসায় গেলাম থার্টিফার্স্ট নাইটের মজা নিতে। আমরা প্রায় ১০/১২ জন। বিকেলের দিকেই পৌঁছে গেছি ওর গুলশান-২ নম্বরের বাসায়।
কিন্তু রাত হতেই বন্ধুর মা নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন, বেরুনো যাবে না। কোথা থেকে খবর পেয়েছেন, রাস্তায় পুলিশ আছে, ১২ টায় কেউ বের হলেই ধরে নিয়ে যাবে। আমাদের অনেক কাকুতি মিনতিও গলাতে পারলো না তাঁকে।
কি আর করা, এক ডজন টগবগে নওজোয়ান আমরা তখন ওর রুমে বসে আড্ডা দিতে লাগলাম। কবিতা থেকে ক্রিকেট আর মোনালিসা থেকে পামেলা কেউই বাদ নেই।
আড্ডার ফাকে মাঝে কার যেন একবার টয়লেট চেপেছিল। সে বাইরে গিয়ে ফিরে এসে ফিকফিক করে হাসতে লাগলো। কি হলো কি হলো? না, আন্টি খুব আজিব কিসিমের গান শুনছেন পাশের রুমে বসে, খালি নাকি শোনা যাচ্ছে- তোমার বাড়ি যাব, তোমার বাড়ি যাব...।
এধরনের আড্ডার কোন আগামাথা থাকে না। চরম সিরিয়াস ব্যাপারও হয়ে যায় নিছক রসিকতা। আমরা সবাই হুড়মুড় করে দরজা খুলে বের হলাম, এবং শুনতে পেলাম, খালি বলছে বেনীমাধব বেনীমাধব, তোমার বাড়ি যাব।
সংক্রামক রোগীদের মত আমরা সেই গান শুনে হেসে এ ওর গায়ে লুটিয়ে পড়ছি। আর ভাবছি, আন্টির নিশ্চয়ই মাথা খারাপ, এরম গান কেউ শোনে!
সেই প্রথম লোপামুদ্রার গান শোনা, একটা ভুল সময়ে, ভুল পরিবেশে।

------------------

তার ঠিক মাস ছয়েক বাদেই সেই একই বাসায় আমি, টিউশনিতে, বন্ধুর ছোট ভাইকে পড়াতে গেছি। হলে থাকি, বাড়ি যাওয়া হয়নি অনেকদিন। শুরুতে প্রতি সপ্তাহে চলে যেতাম কুমিল্লায়। কিন্তু মাস দুয়েক পরেই নিষেধাজ্ঞা জারি হলো, এত ঘন ঘন যাওয়া যাবে না।
তো, অনেকদিন যাইনি বাড়ি। পড়াচ্ছি। মন ভালো নেই। মনোযোগ নেই তেমন। হঠাৎ পাশের রুম থেকে আবারো ভেসে এলো সেই গান। বেনীমাধব বেনীমাধব তোমার বাড়ি যাব...। মোটামুটি শিউরে ওঠলাম। এরকম অদ্ভুত গলা মানুষের হয়!
পড়ানো শেষে আন্টিকে বলে সিডিটা নিয়ে এলাম সাথে করে। হলে ফিরে শুনলাম গান, একবার দুবার তিনবার, সারারাত ধরে।
সকালে , প্রায় ভোরের দিকে ঘুমাতে যাবার সময় টের পেলাম, আমার মাথার মধ্যে খুব যত্ন করে ঢুকে বসে গেছেন তিনি, লোপামুদ্রা।

---------------------

এলবামের নামটাই অন্যরকম। অন্য হাওয়ার অন্য গান। অনেকগুলো কবিতাকে সুর দিয়ে গান হিসেবে গাওয়া। অন্যতম হল জয় গোস্বামীর লেখা মালতীবালা উচ্চ বিদ্যালয় ( নামটা সঠিক মনে নেই)- এ সুর করা গান, বেনীমাধব। এরকম গলা আগে কখনো শুনিনি। এরকম স্পষ্ট, এরকম আবেগ, কিন্তু অদ্ভূত রকম বাহুল্য বর্জিত। শুনিনি আগে কখনো।
ঐ এলবামের আরো কিছু প্রিয় গান আছে আমার, ছেলেবলার বৃষ্টি। অথবা আবার আসিব ফিরে।

গান শোনাটা আমার কাছে সাধারন কিছু নয়।অনেকেই আছেন, গান শুনতে শুনতে পড়তে পারেন, বা অন্য যে কোন কাজ, কোন অসুবিধা ছাড়াই করতে পারেন, কিন্তু আমি পারি না। আমি যখন গান শুনি, তখন কেবলি গান শুনি , বিভোর হয়ে শুনি আমি।
লোপামুদ্রা এসে সেই বিভোরতায় আরো বেশি মগ্ন করে দিয়ে যান আমায়।
রবীন্দ্রনাথের একটা গান আমার ভীষন প্রিয়। সহেনা যাতনা দিবস গনিয়া গনিয়া বিরলে, আশা-র গলায় শুনি প্রথম, তারপর থেকেই বারে বারে শুনতেই থাকি শুধু, সখা হে, এলে না।
কিন্তু ক'দিন পরেই টের পাই, আশা-র উচ্চারনে ভীষন সমস্যা। গনিয়াকে বলেন গুনিয়া, মাঝের একটা জায়গায় একবার যাতনা হয়ে যায় যতনা!
আমাকে এসে রক্ষা করেন কবীর সুমন। আবারো আমি যাতনায় বিভোর হই।
তারপর কিছুদিন পরেই , হাতে আসে লোপামুদ্রার গাওয়া কিছু রবীন্দ্র সংগীতের একটা এলবাম, রবি কবির গান। আর কি আশ্চর্য সেখানে তিনি যেন আমারই জন্যে গেয়েছেন সহেনা যাতনা..., আর সেই গান শুনে , মুগ্ধ আমি নিজের মনেই বলে উঠি, এতদিন কোথায় ছিলেন?
দিন দিন ভালো লাগা বেড়ে চলে শুধু। লোপামুদ্রায় আমি আরো বেশি তন্ময় হয়ে রই।
এখনো রোজ শুনি, অন্তত একবার। বেনীমাধব , অথবা রবি-র গান, যাই হোক, আমি অবাক হয়ে শুনি, তুমি কেমন করে গান কর হে গুণী।
কোন উপমা জানা নেই। এ ভালোলাগার প্রকাশ কি করে করবো জানি না আমি।
মেট্রিকের ছুটিতে সিলেট গেছিলাম বেড়াতে, জাফলং। সে নদীতে নেমেছিলাম সেবার। কি অদ্ভূত স্বচ্ছ আর পরিষ্কার সে পানি। আর কি ঠান্ডা! শুধু ছুঁয়ে থাকতে ইচ্ছা করে যেন...।
বলে রাখি, লোপামুদ্রার গান শুনলে আজো আমার কোন এক অলস বিকেলে ছুঁয়ে আসা সেই নদীটার কথাই মনে পড়ে। কেন জানি ...! জানি না।


-----------
মূল লেখা- এইখানে - ।

মামা বাড়ির আবদার


মামাবাড়ির আব্দার-
----------------
আরে ভাই, ৩৫ বছর পরে ঐসব চেচামেচি করার কি দরকার? সব ভুলে যান। নিজেদের ঐক্য নষ্ট করবেন না। আসেন, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ি।

আমার কথা-
----------
বন্ধুদের মধ্যে একটা রসিকতা প্রচলিত আছে- " কলা ছিলছো কেন, আবার বুজাইয়া দাও''!
আব্দারের চরমসীমা বুঝাতে আমরা এই বাক্য ব্যবহার করি।
বন্ধুদের কাছ থেকে অনেক দূরে আছি। আড্ডাও হয় না- কিন্তু এই আব্দারের কথা মনে পড়ল আবার। মামাবাড়ির আব্দার!

৩৫ বছর কি অনেক লম্বা সময়, ৩০ লক্ষ মানুষের রক্ত ধুয়ে মুছে ফেলবার জন্যে? কেন আমাদের ইতিহাসকে ভুলে যেতে হবে? কেনই বা আমাদের ভুলে যেতে বলা হবে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জনের কথা?
না, আমরা ভুলবোনা। ভুলতে চাইবে তারাই যাদের জন্যে মুক্তিযুদ্ধ মানে লজ্জা, মানে পরাজয়, মানে নিজেদের নীচতা আর বিশ্বাসঘাতকতার জ্বলজ্বলে দলিল। ভুলে যেতে চাইবে রাজাকাররা, আমরা না।

কি করেনি তারা?
একটা দেশের জন্মলগ্নে যতভাবে সম্ভব তার বিরোধীতা করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের ধরিয়ে দিয়েছে পাকসেনাদের হাতে, নিজেরা অস্ত্র তুলে নিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের বিপক্ষে, হাজার হাজার নারীদের ঠেলে দিয়েছে পাকসেনাদের বিকৃত লালসার সামনে!! যখন টের পেয়েছে আর কোনভাবেই বাংলাদেশের জন্মকে ঠেকানো সম্ভব নয়- তখন করেছে সবচেয়ে ঘৃন্য কাজ। ১৪ ডিসেম্বরে- আত্মসমর্পনের মাত্র দুদিন আগে বেছে বেছে খুন করেছে এ দেশের শে্রষ্ঠ সম্পদদের- ধ্বংসস্তূপ থেকে যারা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারত!
জন্মাবিই যখন তখন পঙ্গু হয়েই জন্মা!
ভেবে দেখুন- একটি শিশুর জন্মের সময় তার গর্ভপাতের চেষ্টা করে যে দস্যুরা, কিন্তু কোনভাবেই না পেরে তার জন্মমূহুর্তে যারা তার হাত পা কেটে পঙ্গু করে দেয়, সে শিশু কি পারবে তাদের ক্ষমা করে দিতে? অথবা তার সন্তানেরা? ৩৫ বছর পরেও?

নাহ। ভুলবোনা । ইতিহাস আমাদের জন্যে কখনো চেচামেচি নয়। ইতিহাস আমাদের শেখায় বন্ধু আর শত্রুর পার্থক্য করতে।

দেশ গড়ব অবশ্যই। তবে ঐ জানোয়ারদের সাথে ঐক্য বেঁধে নয়, বিষাক্ত রক্ত যাদের শরীরে বয়ে চলছে এখনো। বাংলাদেশের অস্তিত্বইতো তাদের জন্যে লজ্জার। আর এ লজ্জা তারা মুছে ফেলতে চাইবেই। যতদিন না মুছতে পারো ততদিন- ভুলে যান ভাইসব, আপনে আমি ভাই ভাই!
ভাই? ভাইয়ের রক্তে হাত ভিজিয়েছে যারা একদিন, তারা আমার ভাই!!

আমি চাই না রাজাকারদের কাঁধে কাঁধ মিলাতে। আমার কাঁধ এখনো পঁচে যায় নি এত। মেলাবার মত শক্ত কাঁধের অভাব হয় নি এখনো যে রাজাকারদের বিশ্বাস করতে হবে!

৩৫ বছর খুব বেশি সময় নয়।
আড়াইশো বছর আগে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলো মীরজাফর, আজো তাকে লোকে তার নাম ধরেই গাল দেয়।
শুধু ৩৫ নয়, ৩৫০০ বছর পরেও নিজের ভাইয়ের সাথে যারা বেঈমানী করবে, তাদের মুখে আমাদের সন্তানেরা থুতু দিবে এবং ঘৃণা ভরে উচ্চারন করে বলবে- "তুই রাজাকার, তুই রাজাকার ''।


-------------
মূল লেখা- এইখানে- ।

রবিবার, জুন ১১, ২০০৬

ভাষাই ধর্ম ভাষাই দেশঃ আরেক ফাল্গুনের গল্প।


কমলা ভট্টাচার্য্য।
মাত্র মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয়া এক কিশোরী। এখনো রেজাল্ট বের হয় নি, তার আগেই ইতিহাসের পাতায় নাম।
সম্ভবতঃ ইতিহাসের প্রথম নারী ভাষা শহীদ।
সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারের বোন এই কমলা।
১৯৬১ সালের ২১ মে।
আসামের ছোট্ট শহর শিলচর। রাজ্যের প্রধান ভাষা অসমীয়া হলেও বরাক ভ্যালির এই অঞ্চলে বাংলা ভাষাভাষীদেরই আধিক্য। পাকিস্তান হবার এক বছর পর ১৯৪৮ সালে রেভারেন্ডেমের মাধ্যমে সুরমা ভ্যালি (বর্তমানে সিলেট বিভাগ ) পুর্বপাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। কিন্তু বৃহত্তর সিলেটের তিন-চতুর্থাংশ নিয়ে বরাক ভ্যালি থেকে যায় আসামে। ১৯৬১ সালে আসাম প্রাদেশিক সরকার শুধু অসমীয়াকেই রাজ্যের একমাত্র সরকারী ভাষা ঘোষনা দিলে ক্ষোভ দানা বাঁধে বাংগালিদের ভেতরে। ক্রমশঃ রুপ নেয় তা আন্দোলনে। প্রথমে সত্যাগ্রহ। তারপর সহিংস। আন্দোলনের চুড়ান্ত পর্বে , ১৯ মে, পুলিশ গুলি চালায় মিছিলে। শহীদ হন কমলা ভট্টাচার্য্য সহ মোট ১১ জন। রাজ্য সরকার শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বাতিল করতে বাধ্য হয়।
দেয়াল গড়ে ওঠে মানচিত্র বদলে যায়। তবু রফিক জব্বার কমলার মত ভাইবোনেরা আমাদের মাথা নত না করতে শেখায়।

আভুমি আনত - শ্রদ্ধা একুশে-ঊনিশের সকল ভাষা শহীদদের জন্য।
--- হাসান মোরশেদ

---------------------
সামহোয়্যারইনব্লগে পাওয়া লেখা। খুব পছন্দ হলো, তাই এখানে তুলে রাখলাম।

শুক্রবার, জুন ০৯, ২০০৬

আমার প্রতিবাদ


এক খাবলা মাটি হাতে লইয়া
নিজের গায়ে মাখ-
মাটিতে লাগাইয়া নাক;
ঘ্রান নে রে ব্যাটা নিশ্বাস ভইরা নে,
মায়ের দুধের গন্ধ পাবি সেখানে।

এই সবুজ জমিনে একবার-
তোর বাপের লাংগলের লগে গড়াগড়ি দে,
এই নদীতে তিনখান ডুব লাগা, শুশুকেরা
যেমন কইরা ডুবে।

এই যে ক্ষেতের আইল,
তার মইধ্যে দিয়া দৌড় লাগা একখান।
আসমানে উড়তাছে ভো-কাট্টা ঘুড়ি,
হ দেখি তার সমানে সমান!

তারপর,
মাথাখান উঁচা কইরা
আসমানের দিকে তাকা দেহি একবার।
কি দ্যাখা যায়? চাঁন-তারা??
আরে বেকুব, সর্বহারা-
সিনা টান কইরা দ্যাখ,
চক্ষু দুইটা খুইলা দ্যাখ-
সুর্য দেখবি খালি,
টকটইক্যা লাল সূর্য !

আসমান আর জমিন একাকার কইরা-
লালে আর সবুজে মাখামাখি...
আমার মায়ের আঁচলের লাহান-
আঁচলের মতন পতাকার লাহান।

৭।০৬।২০০৬



----------
এই কবিতার একটা প্রেক্ষাপট আছে। ( অবশ্য সব কবিতারই একটা প্রেক্ষাপট থাকে।)
সামহোয়্যার ইন ব্লগে কোনো এক পাকিস্তান প্রেমিক হুট করে পাকিস্তানের পতাকা সহ কিছু পোষ্ট দেয়া শুরু করে। ভীষন অশ্লীল মনে হয়েছিল আমার সেটা। তারই প্রতিবাদে লেখা এই কবিতা।
এটা একদম র'- কপি। পরে কখন সুযোগ পেলে এডিট করব হয়তো, বা হয়তো করবো না।