শনিবার, জুলাই ২১, ২০০৭

মননে কবিতার আনাগোণা-

মাঝে মাঝে ভাবি, ভাগ্যিস, মানসিক পরিপক্কতা আসার পরে বিনয় মজুমদারের কবিতার সাথে পরিচয় হয়েছে। নইলে নির্ঘাৎ খুব খারাপ হোত। যেরকম হয়েছে সুধীন দত্তের বেলায়। সেই বালক বয়সেই কি মনে করে যে পড়েছিলাম একবার, ঠিকঠাক মাথায় বসে নি, এবং তারপরে আজ অবদি আমি সুধীন দত্ত পড়ে উঠতে পারি নি। বিনয় মজুমদারের বেলায় এরকমটা হলে আরো বেশি দুঃখ পেতাম, কত দুরন্ত সব কবিতা আমার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যেত!

ঠিক সময়ে ঠিক জিনিসটা পড়ার প্রয়োজন সাংঘাতিক। আমি অবশ্য অনেক ক্ষেত্রেই এরকম কোন সিঁড়ি মানি নি, সারাটাজীবনই উই পোকার মতন পড়ে গেছি, এলেবেলে, যা কিছু হাতে পাই। এবং এই সত্যটা ভেবে পরে মনে হয়, এরকম ওলোটপালোটের পরেও মনের ভেতরে কেমন করে জানি সত্যিই একটা সিঁড়ি ডিংগানোর মতন ব্যাপার আপনা থেকেই দাঁড়িয়ে গেছে।
গানের ব্যাপারে এই কথাটা আমার বারংবারই মনে হয়, বিশেষত নজরুল গীতির বেলায়। বাবা শুনতেন, আমি বরাবরই এড়িয়ে যেতাম, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন যখন কি মনে করে শুনতে শুরু করলাম নজরুল, এবং অবধারিত ভাবেই টের পেলাম এর কাছে টাকিলার নেশাও কিছুই নয়। হু, এমনকি লেবু-লবণ ছাড়াই! এবং আমার তাই দৃঢ মনে হয়, নজরুল মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের গীতিকার।

কথায় কথা বাড়ে। বলছিলাম বিনয় মজুমদারের কথা।
গত সপ্তাখানেক বিনয় মজুমদারে ডুবে আছি। পড়তে পড়তেই কিছু কিছু শব্দ, কিছু কিছু লাইন মাথার ভেতরে যেন চকমকি পাথর ঘষে দেয়। তাঁর ঈর্ষনীয় ক্ষমতা দেখে বরাবরই অবাক হই, শব্দরা কি নিদারূন ভৃত্যের মতনই না তাঁর আজ্ঞাবহ থেকে গেছে চিরকাল।
নানা সময়ে নানা কবিতা মাথায় জায়গা করে নেয়। সাম্প্রতিক খুব পছন্দের একটা কবিতা...

যেন প্রজাপতি ধরা- প্রত্যক্ষ হাতের অতর্কিত
আক্রমণ করে ব্যর্থ, পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের
অবকাশে ফুটে ওঠা পিপাসার্ত তারাদের মতো,
অন্যান্য সকলে আছো, অথচ আমি তো নিরূপায়।
ক্ষুধিত বাঘের পক্ষে শূন্যে দিক পরিবর্তনের
মতন অসাধ্য কোন প্রচেষ্টার সারবত্তা নেই।
তোমাদেরি নীতি নেই, সে এখনো আসতে পারে।
কিছুটা সময় দিলে তবে দুধে সর ভেসে ওঠে।

- ২০ জুলাই, ১৯৬১;
বিনয় মজুমদার; ফিরে এসো চাকা।


শুক্রবার, জুলাই ২০, ২০০৭

টুকরো টাকরা

আমার সহকর্মী, বেশ ভালমতন বাচ্চা একটা ছেলে। ইন্ডিয়ান, পাঞ্জাবী।
পঁচিশ পার হবার পর থেকে নিজেকে বুড়ো ভাবা শুরু করেছি, তার ওপারের যে কাউকেই বাচ্চা মনে হয়!
কাল ওর গার্লফ্রেন্ডের গল্প করছিলো আমার সাথে।
স্প্যানিশ মেয়ে, খুব নাকি ভালো, অনেক কেয়ার করে। ওর বাবা-মারও নাকি খুব পছন্দ। ভারতীয় কালচার ধরে ফেলছে খুব দ্রুত।
ছেলেটার আলোমাখা মুখের দিকে তাকিয়ে ভালো লাগলো। স্বপ্নালু চোখ, গার্লফ্রেন্ডের সাথে একটা বাড়ি শেয়ার করছে, কত কত সুবিধা সেখানে জানালো আমাকে। আমিও মজা পেলাম।

হঠাৎ কি মনে হতেই আমাকে জিজ্ঞেস করলো, তোমার গার্লফ্রেন্ড নেই? আমি হাসতে হাসতে দু'পাশে মাথা নাড়ালাম, না, নেই।
একটু মনে হয় দুঃখ পেল সে। মনে হলো, হয়ত স্বান্তনাসুচকই হবে, কিছু একটা বলতে যাবে, আমি থামিয়ে দিলাম। তারপর হেসে বললাম, ... বাট, আই হ্যাভ আ ওয়াইফ, নো ওয়ারিজ!


ঢেঁকি


শেল-এর সার্ভিস স্টেশানে পার্টটাইম জব করি।
সেদিন গিয়ে, রাতে, কাউন্টারে দাঁড়াতেই খুব ব্যস্ত হয়ে গেলাম। পরিচিত এক ক্রেতা এসে নিয়ম-মাফিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পরেই জিজ্ঞেস করলো, আজকে ডাকাত আসে নি তো? কুশল জিজ্ঞাসার এই পর্বগুলোর সাথে এখন পরিচিত আমি, হেসে বলি, না, এখনো নয়।

একজন, দুইজন, তিনজন। চতুর্থ ক্রেতা একই ভাবে ডাকাতের কথা বলায় আমি ভাবলাম, কোথাও নির্ঘাৎ গন্ডগোল আছে। বললাম, আজ সবাই ডাকাতের কথা জিজ্ঞেস করছো কেন বলো তো?
ও অবাক! তুমি জানো না?
জানলাম। দু'দিন আগে, রাতে, এখানে ডাকাতি হয়ে গেছে! বিশাল একটা কিচেন-চাক্কু নিয়ে এসে ক্যাশ টাকা নিয়ে গেছে ডাকাত।

নির্ঘাৎ ড্রাগি বা জাংকিজ-গুলো হবে। তবু স্টোরে একা হতেই খানিকটা ভয়-ভয় করলো। ডায়রি খুলে দেখি, কোথাও ডাকাতির উল্লেখও নেই! কি আশ্চর্য, কেউ আমাকে কিছু জানালো না কেন?
বিশাল রেগে মেগে ডায়রিতে বড়সড় একটা নোট রাখবো, ভাবতেই ভাবতেই ম্যানেজার ফোন করলো। এ কথা সে কথার পরে বললো, ডাকাতির কথা। আমাকে সাহস জোগালো। আমি বললাম, ঠিকাছে। আমি ভীত নই।

শেষমেষ এলো আসল কথায়।
যে ছেলেটা ছিলো ডাকাতির দিন, ও নাকি একটু ডিপ্রেশানে ভুগছে, কাজ করতে পারবে না কিছুদিন, আমি যদি ওর শিফটগুলো করি, তবে খুব ভাল হয়।
একদম ইচ্ছে হলো না। রাতে কাজ ভালো লাগে না, তারউপর এই সব, মানা করলাম, পারবো না বললাম, তবু ম্যানেজার দেখি নাছোড়বান্দা, সেই একই কথা বলেই যাচ্ছে বলেই যাচ্ছে।
অনুরোধে ঢেঁকি গিলবার ব্যাপারে সুনাম আছে আমার, অবশেষে মনে হলো, অনুরোধে এবার ডাকাতও গিলতে হবে।

লেয়ার কেইক



২০০৪ এ বের হওয়া মুভি 'লেয়ার কেইক', এতদিনেও দেখি নি। অবশ্য আমি একাই নাকি আমার সাথে পুরো পৃথিবীবাসী, এই তর্কে ইচ্ছে করলেই খানিকটা সময় খরচ করা যায়। কারণ- নতুন বন্ড ক্যাসিনো রয়াল বের হবার আগে ড্যানিয়েল ক্রেইগের এই মুভিটি ভিডিও ক্লাবের কোন শেলফের শোভাও বাড়াচ্ছিলো না।
দেখে ভাল লাগলো। ক্রেইগের নাম নেই এই ছবিতে, মানে আছে আর কি একটা, মিষ্টার এক্স। ড্রাগ ডিলার, বড় মাপের। এ ধরণের ছবিগুলোকে কি ধরনের জেনরে ফেলে? খুঁজে দেখি, তিনটা কথা বলা আছে। ক্রাইম, ড্রামা, থ্রিলার। নতুন কোন শব্দের আসলেই প্রয়োজন নেই। বরং এই তিনটেই কোনটা কাকে ফেলে টপকে গেছে সেটা বরং চিন্তার বিষয় হতে পারে।
দেখতে দেখতে আমার আরো একটা সিনেমার কথা মনে হচ্ছিলো, লর্ড অব ওয়ার, নিকোলাস কেইজের। ওখানে কেইজ থাকে আর্মস ডিলার। দু'টি সিনেমার মধ্যে আরেকটা বিষয়ে খুব মিল, দুর্দান্ত সব ডায়লগ দুটাতেই।

ক্রেইগের আরো খানিকটা ভক্ত হলাম। সেই সাথে দু'টা নাম মুখস্থ করে নিলাম, ম্যাথু ভন, আর এন্ড্রু নিকোল। দুই পরিচালকের। এদের আরো ছবি পেলে দেখতে হবে!

বুধবার, জুলাই ১৮, ২০০৭

মন খারাপের দিন-

কদিন ধরে তুমুল বৃষ্টি। সারাদিন আকাশ জুড়ে মেঘ, মেলবোর্ণের মুখ কালো, নাকি মন খারাপ?
জানি না ঠিক। তবে এরকম অবিরাম টানা বৃষ্টি এই শহরে খুব বেশি দেখি নি আমি।

একটা টিনের চালা পেলে খুব ভাল হোত, তারউপরে বৃষ্টির ফোঁটা পড়লে শোনা যেত ঝমঝম ঝম। দিনে রাতে, একদম সমান ঠান্ডা। চারপাশের সব ভুলে গিয়ে গায়ে কম্বল টেনে শুয়ে থাকি। সব কি ভুলে থাকা যায়? যেতে পারলে বেশ হতো। এই রোদ, ঝড়, বৃষ্টি, এই শহর, শহরের মানুষ, মানুষেদের সাথে আমার বন্ধুতা, আমি সব কিছু ভুলে থাকতে চাই, অন্তত, অল্প ক'টা দিন।

নাহ, আকাশের মন খারাপ, তাতে কি? আমার মন খারাপ নয়।
আমি চিরসুখী মানুষ, আমার কখনো মন খারাপ হতে নেই।

বুধবার, জুলাই ১১, ২০০৭

নতুন বন্ড



ক্যাসিনো রয়াল দেখা শুরু করার সময় চোখ মুখ শক্ত করে বসেছিলাম।
ব্রসন্যানকে রিপ্লেস করছে যেই ব্যাটা, তাকে কিছুতেই ভাল লাগা চলবে না, মোটামুটি এইরকম মারদাঙ্গা টাইপ ছিলো আমার মনোভাব। পিয়ার্স ব্রসন্যানের পরে অনেকেই শ্যন কনারিকে সবচেয়ে মানানসই বন্ড বলে থাকেন। আমার কিন্তু বুড়া কনারিকেই বেশি স্মার্ট লাগে, বন্ড কনারির চেয়ে। তার চেয়ে বরং রজার মুর অনেক বেশি 'ঠিকাছে'।

তো, সিনেমা শুরুর পর থেকে দেখি আমার মন খানিকটা গলতে শুরু করেছে। তারপর ছবির মাঝামাঝি এসে টের পাই, ড্যানিয়েল ক্রেইগকে আর ততটা 'খারাপ লাগছে না'। এবং আরো কিছুক্ষণ পর যখন গুন্ডাদের মার টার খেয়ে নায়কসাহেব রীতিমতন নাস্তানাবুদ, এবং এতক্ষণের পারফরমেন্সের কল্যাণে তিনি অতিমানবদের কাতার থেকে সরে এসে আমাদেরই চেনা জানা পাশের বাড়ির মাসুদ রানার পর্যায়ে এলেন, সেই মুহুর্তগুলোয়, খুব আরামপ্রদ একটা অনুভূতি হল মনে, আর মনে হল, এই বেড়াল চোখা পাথুরে চেহারার শক্ত-পোক্ত ক্রেইগের মুখেই আসলে মানায় সেই চিরন্তন সংলাপ- মাই নেম'জ বন্ড। জেমস বন্ড।

ক্যাসিনো রয়্যালের জটিলস্য প্লট এবং মাঝে মাঝেই ধীর গতির কারণে খানিকটা উশখুশের পরেও এই মনুষ্য-বন্ডকে দেখে অন্তত এই ভেবে আশাবাদী হয়েছি, আরো কিছু বছর হয়ত আমরা এর কাছ থেকে আরো কিছু ভাল বন্ড-মুভি দেখার আশা করতে পারি।
সেই সুবাদেই, ড্যানিয়েল ক্রেইগকে স্বাগতম জানাই।
ওয়েলকাম টু আওয়ার নিউ মি. বন্ড। ওয়েলকাম।

শনিবার, জুলাই ০৭, ২০০৭

পৃথিবী কিন্তু তত বড় নয়!

আজকের তাজা খবর!
মাত্র পাঁচ বছর আগেও যেমনটা ভাবা হয়েছিলো, পৃথিবী কিন্তু সত্যি সত্যি ততটা বড় নয়।
আজকের পত্রিকায় পড়লাম, বন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডক্টর এক্সেল নথনাজেল বের করেছেন, আসলে যতটা ভাবা হয়, পৃথিবীর ব্যাস তারচেয়ে পাক্কা ৫ মিলিমিটার কম! ভাবা যায়!

এইটুকু পড়ে আমি অবশ্য হেসে ফেলেছিলাম। কেউ কেউ শুনে হাসবে, এরকমটা বোধহয় ডক্টর এক্সেল আগেই অনুমান করেছিলেন। আমার মতন অকালকুষ্মান্ডদের জন্যে তিনি তাই বলে রেখেছেন, যতটা খেলো মনে হচ্ছে, ব্যাপারটা আসলে তত সহজ নয়। একদম সঠিক মাপ জানার দরকার ছিলো আমাদের, বিশেষ করে আবহাওয়া সংক্রান্ত খোঁজখবর দেয় যেসব উপগ্রহগুলো, তাদের সঠিক পজিশনিং-এর জন্যে।

গুরুত্ব বুঝে টুঝে আমি অবশ্য খানিকটা গম্ভীর ভাব ধরে আছি। তবে সমস্যা হলো, থেকে থেকেই খিক খিক করে হাসি পাচ্ছে!
কি মুশকিল!

মঙ্গলবার, জুলাই ০৩, ২০০৭

চাঁদে বাঁধি ঘর

চাঁদে জমি বিক্রি হয়, জানতাম। কিন্তু এর চেয়ে অপ্রয়োজনীয় কিছু আছে বলে জানি না। অথবা, অনেকের প্রয়োজন থাকতেও পারে, কিন্তু আমি জাস্ট- নট ইন্টারেস্টেড!
একই অনুভূতি- ওয়েবস্পেসের ব্যাপারেও। চাঁদের জমির মতন এই জিনিসেরও আমার আসলে কোন প্রয়োজন ছিল না। ব্লগস্পট নিয়েই আমি পূর্ণমাত্রায় খুশি। গুগল মহাশয় দিন দিন ওটাকে আরো বেশি নতুনত্ব এনে দিচ্ছে, আমার মতন সাদাসিধে ব্লগারদের জন্যে এইই যথেষ্ঠ।
কিন্তু কেউ যদি আমাকে চাঁদে একখন্ড জমি কিনে দেয়? তবে? ওখানে বাড়ি বানানোর একটা দুঃসাহসিক পরিকল্পনা করতে আর বাঁধা কোথায়?
ঘুরেফিরে তাই হলো। আমরা গোটা আষ্টেক বাল্যবন্ধু। একই শহরে হুটোপুটি করতে করতে বেড়ে উঠেছি, সময়ের প্রয়োজনে এখন পৃথিবীর নানা প্রান্তে গিয়ে বাসা বেঁধেছি। সবাইকে এক জায়গায় আনবার জন্যে একেবারেই নিজেদের একটা 'প্রাইভেট' ফোরাম নিয়ে জল্পনা অনেকদিনের। ঠিক কোনটা যে সেট করবো বুঝছিলাম না। পানবিবি, পিহেইচপিবিবি, ওয়ার্ডপ্রেস এইসব ঘুরে ঘুরে শেষমেষ মন ঠিক করে ফেলেছিলাম, জুমলা দিয়েই বানিয়ে ফেলবো ফোরাম।
ঠিক তখুনি অরূপদা সচলায়তন বানালেন ড্রুপাল দিয়ে।
এই জিনিস এতদিন আমার চোখে পড়ে নি! এখন দেখি, এরকম দারূন কাজের জিনিস আর খুব বেশি নেই। সুতরাং খানিক গুতোগুতির পরে টেস্ট সাইট বানালাম ড্রুপাল দিয়ে। বন্ধুরা কেউই ব্লগিং ব্যাপারটায় অভ্যস্ত নয়, তাই অল্প কদিনেই নানারকম অভিযোগ পেয়ে শেষমেষ পানবিবি দিয়েই আমাদের ফোরামের টেস্ট সারলাম।
কিন্তু ড্রুপালের মোহ কাটছিলো না আমার। তাই যখন ফোরাম সেটআপের জন্যে জায়গা কিনতে হলো, অনেক ভেবে চিন্তে ডোমেইনও কিনে ফেললাম একটা। ওটারই একটা অংশে পানবিবি দিয়ে হলো আমাদের ফোরাম। আর মূল অংশে ড্রুপাল দিয়ে তৈরি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে অপ্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট কনফুসিয়াস ডট কম!

চাঁদের জমিতে বানানো বাড়ি, যাওয়া হবে না হয়তো তেমন, থাকাও হবে না, তবু খাঁটি গেরস্থ বলে কথা, সাজানো গুছানোর কিছু ব্যাপার থেকে যায়।
ওখানে তাই এখনো ঝাড়পোছ চলছে। চলবে আরো কিছুদিন।